Pages

Sunday, June 1, 2014

মাশরুম চাষ বেকারত্ব ঘোচাতে পারে

মাশরুম চাষ বেকারত্ব ঘোচাতে পারে


মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ভিটামিন 'ডি' এবং প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড লৌহ পাওয়া যায়। তাই মানুষ নানাভাবে মাশরুমকে খাদ্য হিসেবে আহরণ করতে শুরু করেছে। ফলে দিন দিন এর চাহিদাও বাড়ছে। দেশের কোন কোন এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এর চাষ শুরু হয়েছে। তবে রাঙ্গামাটিতে ব্যাপক আকারে এর চাষ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

রাঙ্গামাটির জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন সমপ্রসারণ উপকেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে ইতোমধ্যে জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় মাশরুম চাষের বিষয়ে স্থানীয় কৃষকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর পাশাপাশি সংস্থাটি ৯০০ জন বেকার নারী পুরুষকে মাশরুম চাষের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ এবং অনানুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দিয়েছে হাজার জনকে। প্রশিক্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মাশরুম উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। কার্যক্রমের আওতায় রাঙ্গামাটি জেলার রাঙ্গাপানি গ্রামকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে সেখানে ৪টি মাশরুম পল্লী গড়ে উঠেছে। পল্লীগুলো হচ্ছে_ মনোঘর মাশরুম পল্লী সমিতি, রাঙ্গাপানি মাশরুম পল্লী সমিতি, টেকনিক্যাল পাড়া মাশরুম পল্লী সমিতি ভেদভেদি মাশরুম পল্লী সমিতি। প্রতিটি সমিতিতে ৫০ জন করে মোট ২০০ জন চাষি তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে মাশরুম চাষের ওপর। পল্লীর চাষিরা দৈনিক মাথাপিছু গড়ে - কেজি মাশরুম ৎপাদন করে। বাজারে প্রতি কেজি মাশরুমের দাম ১২০-১৫০ টাকা। মাশরুম চাষে খরচ কম লাভ বেশি হওয়ায় অনেক যুবক-যুবতী নিজেদের বেকারত্ব ঘোচাতে এখন মাশরুম চাষকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা বলেন, মাশরুম চাষ সমপ্রসারিত করার দায়িত্ব উন্নয়ন সমপ্রসারণ উপকেন্দ্রের। এরপরও পার্বত্য জেলা পরিষদ মাশরুম চাষিদের বিভিন্ন সমস্যা তাদের কৃষি ঋণের সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে।
মাশরুম চাষি রুবেশ চাকমা বলেন, একজন মানুষ মাশরুম চাষ করে খুব সহজে বেকারত্ব দূরীকরণসহ নিজেকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারে। শুধু মাশরুম চাষ করেই তিনি তার সংসারের যাবতীয় চাহিদা মেটাচ্ছেন। তবে মাশরুমের বীজ সংকট রয়েছে বলে তিনি জানান।
মাশরুম উন্নয়ন সমপ্রসারণ উপ-কেন্দ্রের কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান, কামাল হোসেন, আনিসুর রহমান বাবলা বড়ুয়া বীজ সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, ল্যাবরেটরি থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৫০টি এবং পর্যন্ত ৮০ হাজার মাশরুম স্পন প্যাকেট চাষিদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু চাষিদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতে চাহিদার তুলনায় বীজ সরবরাহ কখনও কখনও কম হয়। তবে সব কৃষকদের বীজ সরবরাহ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। লোকবল বাড়ানো কিছু সমস্যা সমাধান করা হলে বীজ সংকট কেটে যাবে বলে তারা জানান।
মাশরুমের অনেক গুণ এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী_ কথা পুষ্টিবিদদের। চিকিৎসকরাও কথা স্বীকার করেন। রাঙ্গামাটি সিভিল সার্জন ডা. মনীষা চাকমা বলেন, মাশরুমে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন মিনারেলের এমন সব কিছুর সমন্বয় রয়েছে যা শরীরের ইথুন সিস্টেমকে উন্নত করে। ফলে গর্ভবতী মা শিশুরা নিয়মিত মাশরুম খেলে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। মাশরুমে চর্বি শর্করা কম থাকায় এটি ডায়াবেটিসের আদর্শ খাবার। মাশরুম নিয়মিত খেলে হৃদরোগ রক্তচাপ নিরাময় হয়।
মাশরুমে ওষুধি গুণ রয়েছে এবং শরীর সুস্থ রাখতে এটি অনেক সহায়ক। তাই মাশরুম আহরণ সম্পর্কে মানুষকে আরও উদ্বুদ্ধ করা উচিত। এছাড়া মাশরুম চাষ আর্থিক দিক থেকে লাভজনক। মাশরুম চাষে সমস্যা যেমন_ বীজ সংকট আর্থিক ঋণের অভাব। এসবের ব্যাপারে সরকারের কৃষি সমপ্রসারণ অধিদফতরকে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। তবেই মাশরুম চাষ আরও সমপ্রসারিত হবে। বাসস (একেএম জহুরুল হক) 

Spicy mushroom fried rice: মসলাযুক্ত মাশরুম ভাজা ভাত !!!

Spicy mushroom fried rice মসলাযুক্ত মাশরুম ভাজা ভাত !!!


Image

Image

Image

Prep Time: 30 minutes.  সংগ্রহ সময়: ৩০ মিনিট.       

Cook Time: 30 minutes. রান্নার সময়: ৩০ মিনিট.

Total Time: 60 minutes. মোট সময়: ৬০ মিনিট

Makes  5  servings.পরিবেশন করুন  ৫ জনের  জন্য.

Ingredients: উপকরন:

  • 1/4 kg mushrooms, cut into  small size. ছোট আকার টুকরো ১/৪ কেজি মাশরুম,.
  • 1 tbs ginger,garlic chopped ১ টে; চামচ আদা, রসুন কুটা .
  • 1 tsp coriander powder. ১ চা চামচ ধনে গুঁড়া.
  • 1 tsp cumin powder. ১ চা চামচ জিরা গুঁড়া.
  • 1 tsp all spices  (garam masala) powder. ১ চা চামচ সব মশলা গুঁড়া.
  • 1/2 cup soy sauce. ১/২  কাপ সয়াসস.
  • Salt to taste.  লবণ স্বাদ মত.
  • large onion, large sliced. ২ টি বড় পেঁয়াজ বড় টুকরা করা.
  • 3/4 kg cooked basmati rice. ৩/৪ কেজি বাসমতী চালের ভাত.
  • 100 g butter. মাখন ১০০ গ্রাম.
  • Sugar-1 tea spoon. চিনি ১ চা চামচ.
  • Green chili 10, slice. ১০ টি কাঁচা মরিচ ফালি.
  • 1/2 cup coriander leaves.১ /২ কাপ ধনে পাতা.
Method: পদ্ধতি:


1. Heat butter in a pot on medium heat . Add ginger, garlic chopped cook for 1 min.  চুলাতে মাঝারি তাপের উপর একটি পাএের মধ্যে মাখন গরম করতে হবে. এতে আদা ও রসুন কুচা যোগ করুন,  মিশিয়ে ১ মিনিট এর  জন্য রান্না করতে হবে.

Image

2. Add chili, mushroom, onion, sugar, salt. কাঁচা মরিচ, মাশরুম, পেঁয়াজ, চিনি, লবণ যোগ করুন.

Image

3. Give a nice stir and cook for two mins. একটা চমৎকার নড়া দিন এবং দুই মিনিট জন্য রান্না করা.

Image

4. When water gets evaporated add soy sauce. পানি শুকিয়ে গেলে সয়াসস যোগ করুন.

Image

5.  Saute till the onions begin to turn a pale golden brown in color.  পেঁয়াজ সাঁতলান রঙের একটি ফ্যাকাশে সুবর্ণ বাদামী রং না হওয়া পর্যন্ত  নাড়া চালু  রাখুন

Image


6. Now add boiled rice, then lift the pot 2-3 times like saute. Don’t use any spoon.  এখন সেদ্ধ চাল, দিয়ে তারপর পাত্র টি কে দুই পাশে ধরে ভাল করে ঝাকিয়ে বা সাঁতলানো মত ২-৩ বার করে নিন. কোন চামচ ব্যবহার করবেন না.

Image


Image

7. Add coriander leaves then lift the pot 2-3 times like saute or mix evenly. ধনে পাতা দিয়ে তারপর পাত্র টি কে দুই পাশে ধরে ভাল করে ঝাকিয়ে বা সাঁতলানো মত ২-৩ বার করে নিন বা সমানভাবে মিশিয়ে নিন.

Image


Image

8.  Your mushroom fried rice is ready to eat. Serve with yogurt salad and tomato gravy. আপনার মটন বিরিয়ানি প্রস্তুত. দই সালাদ এবং টমেটো ঝুলের  সঙ্গে পরিবেশন করুন.

Source: http://safrinlipi.wordpress.com

মাশরুম কোন হারাম সবজি নয়, সম্পূর্ণ হালাল

মাশরুম কোন হারাম সবজি নয়, সম্পূর্ণ হালাল 

মাশরুম একটি বহুগুনী পরস্বাদু সবজি। আমরা অনেকে মাশরুম খুব পছন্দ করি। অনেকে আবার এটিকে ব্যাঙের ছাতা ভেবে এটিকে হারাম খাদ্যের সাথে তুলনা করে থাকি। আসলে আমাদের এই ধরানাটি সম্পূনূ ভূল। কারন মাশরুম আর ব্যঙের ছাতা এক জিনিস নয়। ব্যাঙের ছাতা যেখানে সেখানে গজিয়ে উঠে তা অপরিচ্ছন্ন ও বিষাক্ত। আর মাশরুম পরিচ্ছন্ন ভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতেতে বীজ দ্বারা চাষ করা হয়। শুধু তাই নয় পবিত্ত্র কোরআন ও হাদীসে মাশরুম কে অত্যান্ত মর্যদাকর খাবারের সাথে তুলনা করা হয়েছে। সহীহ বুখারী শরীফে হযরত মোহাম্মদ (স:) বলেছেন, “আল কামতু মিনাল মান্না ওয়া মাহা সাফা আল্ আইন” এর অর্থ “মাশরুম এক শ্রেণীর মান্না ও এর রস চোখের জন্য ঔষধ বিশেষ”। আর এ সম্পর্কে কোরআনে সূরা আল বাকারার ৫৭ নম্বরে আল্লাহ বলেন “অযাল্লানা আলাইকুমুল গামামা ওয়া আনযালনা আলাইকুমুল মান্না-ওয়াস-সালাওয়া কুলুমিন তায়্যিবাতি মা রাযাক্বনাকুম, ওমা জলামুনা আলাকিন কানূ আনফুছাহুম ইয়াযলিমুন” এর অর্থ আমি মেঘমালা দিয়ে তোমাদের উপর ছায়াদান করেছি এবং তোমাদের জন্য তোমাদের জন্য অত্যান্ত সম্মানিত খাবার পাঠিয়েছি মান্না ওয়া সালাওয়া। অতএব মাশরুম যে একটি হালাল খাবার তা নিয়ে এখন আমাদের কারো মাঝে আর কোন সন্দেহ নেই। আসুন আমরা সবাই বেশী বেশী করে মাশরুম খাই, প্রতিদিনের খাবারের সাখে মাশরুম যুক্ত করি। সুস্থ্য ও সুন্দর থাকি।



মাশরুম ওয়েবসাইট: মাশরুম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে

মাশরুম ওয়েবসাইট: মাশরুম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে

মাশরুম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেন: www.namdec.gov.bd


মাশরুম কেন খাবেন ?

মাশরুম কেন খাবেন ?  


মাশরুম ক্লোরোফিলবিহীন ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ এবং নতুন ধরণের সবজি যা সম্পূর্ণ হালাল,সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও উচ্চ খাদ্যশক্তি এবং ভেষজগুণে ভরপুর।এর মধ্যে ২৫-৩০% প্রোটিন আছে যা অত্যন্ত উন্নত ও নির্ভেজাল। এতে উপকারী শর্করা, চর্বি আছে। যে কারণে মাশরুম বিভিন্ন জটিল রোগের প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। মাশরুমের পুষ্টিগুণের পাশাপাশি যে সব ঔষধিগুণ পাওয়া যায় তা নিম্নরূপঃ
গর্ভবতী মা ও শিশুরোগ প্রতিরোধেঃ
মাশরুমে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেলের এমন সমন্বয় আছে যা শরীরের “ইমিউন সিষ্টেমকে” উন্নত করে। নিয়োসিন ও অ্যাসকরবিক এসিড বা ভিটামিন সি’র প্রাচুর্য থাকায় মাশরুম স্কার্ভি, পেলেগ্রা প্রভৃতি শিশুরোগসহ গর্ভবতী মায়েদের রোগ প্রতিরোধে উপকারী।
বহুমুত্র প্রতিরোধেঃ
বহুমুত্র বা ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের শর্করা ও ফ্যাট জাতীয় খাবার ক্ষতিকারক। ফ্যাট ও শর্করা কম এবং আঁশ বেশি থাকায় বহুমুত্র বা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য মাশরুম বিশেষ উপকারী ও ডায়াবেটিস রোগীদের আদর্শ খাবার। নিয়মিত খেলে ব্লাড সুগার কমিয়ে আনা সম্ভব।
উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ প্রতিরোধেঃ
মাশরুমে কোলেস্টরেল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভাষ্টটিন, এনটাডেনিন, কিটিন এবং ভিটামিন বি,সি ও ডি থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার) ও হৃদরোগ নিরাময় হয়।
চর্মরোগ প্রতিরোধেঃ
নানা ধরণের চর্মরোগ নিরাময়ে মাশরুম বিশেষভাবে উপকারী। ঝিনুক মাশরুমের নির্যাস থেকে খুশকি প্রতিরোধী ঔষধ তৈরী করা হয়।
দাঁত ও হাড় গঠনেঃ
মাশরুমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি আছে। শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে এই উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।
ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধেঃ
মাশরুমের বেটা-ডি, ল্যামপট্রোল, টারপিনওয়েড ও বেনজোপাইরিন আছে যা ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করে। ফ্রান্সবাসীরা পর্যাপ্ত পরিমাণ মাশরুম খান বলে গত এক শতাব্দী ধরে ক্যান্সার রোগের প্রাদুর্ভাব কম বলে দাবী করা হয়। সম্প্রতি জাপানের জাতীয় ক্যান্সার ইনষ্টিটিউটের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাশরুমের ক্যান্সার প্রতিহত করার ক্ষমতা আছে।
এইডস প্রতিরোধকঃ
মাশরুমে ট্রাইটারপিন থাকতে বর্তমানে এটি বিশ্বে এইডস প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ।
আমাশয় রোগেঃ
মাশরুমে ইলুডিন এম ও এস থাকাতে আমাশয়ে উপকারী।
হাইপার টেনশনঃ
মাশরুমে স্ফিংগলিপিড এবং ভিটামিন-১২ বেশি থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড সুস্থ্য রাখে। তাই মাশরুম খেলে হাইপার টেনশন দুর হয় এবং মেরুদন্ড দৃঢ় থাকে।
পেটের পীড়ায় বা সহজপাচ্য প্রোটিন যোগান দিতেঃ
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন আছে। এই প্রোটিন সহজপাচ্য, সুস্বাদু ও মুখরোচক। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ এনজাইম বিশেষতঃ ট্রিপসিন এবং অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত জারকরস আছে বলে মাশরুম খাদ্য পরিপাক ও হজমে সাহায্য করে, রুচি বর্ধক এবং পেটের পীড়ায় নিরামায়ক।
কিডনির রোগ প্রতিরোধেঃ
মাশরুমে নিউক্লিক এসিড ও এন্টি এলার্জেন থাকায় এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক।
চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধেঃ
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে সালফার সরবরাহকারী এমাইনো এসিড থাকায় এটা নিয়মিত খেলে চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধ করে।
দৃষ্টিশক্তিঃ
মাশরুমের খনিজ লবণ চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষার জন্যও সমাদৃত।
হেপাটাইটিস-বি ও জন্ডিসঃ
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড ,লৌহ এবং লিংকজাই-৮ নামক এমাইনো এসিড থাকায় হেপাটাইটিস-বি ও জন্ডিসের প্রতিরোধক।
এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতাঃ
শরীরে এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে, নিয়মিত মাশরুম খেলে তা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
মাশরুমের খাদ্যগুণ (প্রতি ১০০ গ্রামে)
MSH
আপনার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখুন মাশরুম। মাশরুমের উপস্থিতি আপনার খাদ্যতালিকাকে করবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও আকর্ষনীয়।

লিখেছেনঃ বৈশাখী 



মাশরুম চাষ কিভাবে শুরু করা যায়?

প্রশ্ন : মাশরুম চাষ কিভাবে শুরু করা যায়? এবং এর চাষাবাদ পদ্ধতি, পরিচর্যা বিষয়ক বই থাকলে আমার ই-মেইল ঠিকানায় দয়া করে পাঠিয়ে দিবেন।- Muhammad Ali, alikhan227@gmail.com

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বানিজ্যিক ভাবে মাশরুম চাষ শুরু করতে হলে প্রথমে যে কাজটি করতে হবে তা হলো এর বাজার ব্যবস্থা নিস্চিত করা। অর্থাৎ আপনি কোথায় কারকাছে কতটুকু মাশরুম বিক্রি করতে পারবেন তার একটি ধারনা নেয়া। এরপর সাভারের সোবাহানবাগে অবস্থিত জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র বা উহার আঞ্চলিক উপকেন্দ্র সমূহ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহন করা। প্রশিক্ষণ ছাড়া মাশরুম চাষ শুরু করতে গেলে শুরুর দিকে ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে, তাই এক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ জরুরী। আপনি আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযো



মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তাঁর গুণাবলী

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তাঁর গুণাবলী


প্রায় দেড় হাজার বছর আগে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তাঁর গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো। এসব খাবার নবীজী (সাঃ) আহার করতেন এবং দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী (সাঃ) এর বিভিন্ন খাবারের গুণাগুণ ও উপাদান অত্যন্ত যথাযথ ও নির্ভুল, নিরঙ্কুশভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। নবীজী (সাঃ) এর খাবারের মধ্যে রয়েছে বার্লি
, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি। খাবারের গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো:
এক: বার্লি (জাউ): এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।
দুই: খেজুর: খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। নবীজী (সাঃ) বলতেন, যে বাড়ীতে খেজুর নেই সে বাড়ীতে কোন খাবার নেই। এমনকি সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আল্লাহর নবী।
তিন: ফিগস বা ডুমুর: ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণ সম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার।
চার: আঙ্গুর: নবীজী (সাঃ) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভাল বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাত্ক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন।
পাঁচ: মধু- মধুর নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানীয় ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।
ছয়: তরমুজ- সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নবীজী (সাঃ) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবতী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।
সাত: দুধ- দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন নবীজী (সাঃ) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদন্ড সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে দেখেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।
আট: মাশরুম- আজ বিশ্বজুড়ে মাশরুম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। অথচ দেড় হাজার বছর আগে নবীজী (সাঃ) মাশরুম চোখের জন্য ভালো এবং এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক এবং মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীর প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।
নয়: অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ বহুমুখী। তবে আজ মানুষের ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষা ও বয়স ধরে রাখার জন্য যারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করছেন তাদের দেড় হাজার বছর আগে নবীজী (সাঃ) অলিভ অয়েল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য ভালো এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।
দশ: ডালিম-বেদানা: বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে এবং নবীজী(সাঃ) বলতেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।
এগার: ভিনেগার- ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। নবীজী (সাঃ) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অথচ আজকের এই মডার্ন ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামি রেস্টুরেন্ট বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।
বার: খাবার পানি: পানির অপর নাম জীবন। পানির ভেষজগুণ অপরিসীম। দেড় হাজার বছর আগে নবীজী (সাঃ) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিত্সা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলেন।

- সূত্র: হ্যালো-টুডে ডটকম  

মাশরুম বিজ্ঞাপন: ভিডিও দেখুন প্লীজ

মাশরুম বিজ্ঞাপন: ভিডিও দেখুন প্লীজ